গ্রামীন ডাক সেবক নিয়ে নয়া বিপাকে মাদ্রাসা উত্তীর্ণ আবেদন কারিরা, ডিভিশন বেঞ্চে ডাক বিভাগ

গ্রামীন ডাক সেবক নিয়ে নয়া বিপাকে মাদ্রাসা উত্তীর্ণ আবেদন কারিরা, ডিভিশন বেঞ্চে ডাক বিভাগ

আখতারুল ইসলাম, বেঙ্গল রিপোর্ট, কলকাতা: পোষ্টাল বিভাগের গ্রামীন ডাক সেবক পদের নিয়োগের ক্ষেত্রে আবারও বিশ বাও জলে ঠেলে দেওয়া হল মাদ্রাসা পর্ষদ দশম-উত্তীর্ণ আবেদন কারি দের। মাদ্রাসা-উত্তীর্ণদের পক্ষে মহামান্য উচ্চ আদালতের অন্তর্বর্তী কালীন রায় কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের অধীনস্থ ডাক বিভাগের পশ্চিমবঙ্গ শাখা।

উল্লেখ্য যে ২০১৭ সালের জুলাই মাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রায় ৫০০০ শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের যে কোনো পর্ষদ হতে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের আহ্বান জানানো হয়। আহ্বানে সাড়া দিয়ে সকলে আবেদন করলে আচমকাই তা বাতিল ঘোষণা করে নতুন বিজ্ঞপ্তি মারফত শূন্যপদ বর্ধিত করে প্রায় ৬০০০ করা হয় এবং মাদ্রাসা পর্ষদ দশম-উত্তীর্ণদের আবেদনের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়। যার ফলে মাদ্রাসা-উত্তীর্ণরা গত ১৮-০৫-২০১৮ তারিখে ভারতীয় উচ্চ আদালতের দারস্ত হন এবং বিচারপতি প্রতিক প্রকাশ বানার্জী অন্তর্বর্তী কালীন রায় দ্বারা মাদ্রাসা-উত্তীর্ণদের জি.ডি.এস পদের জন্য অফ লাইনে দশ দিনের জন্য আবেদনের সুজোগ করে দেন।

এতে মাদ্রাসা-উত্তীর্ণরা তাদের এক প্রকার বিজয় মনে করে সঠিক সময়ের মধ্যে অফ লাইনে আবেদন জমা দিয়ে দেন। কিন্তু পোষ্টাল বিভাগ এতে অসন্তষ্ট হয়ে সাম্প্রতি দীর্ঘ ৪-৫ মাসের মতো সময় নিয়ে উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের দারস্ত হয়েছেন, যার শুনানী আগামি সোমবার হবে বলে জানাচ্ছেন মাদ্রাসা পর্ষদ পক্ষের আইনজীবী সামিম আহমেদ, সুমিত কুমার পাঁজা প্রমুখ।

ডাক বিভাগের এহেন বিমাতৃ সুলভ আচরণে রীতিমত ক্ষুদ্ধ এস.আই.ও সহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি। এস. আই.ও’র যোগাযোগ সম্পাদক খালিদুর রহমান জানাচ্ছেন ডাক বিভাগের এই সাম্প্রদায়িক মনোভাবের বিরুদ্ধে শীঘ্রই বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নেবে তাদের সর্বভারতীয় সংগঠন।

Facebook Comments