চাঁদমালা, ঠাকুরের গয়না বিক্রির চাহিদা নেই, হতাশ মালাকার’রা

চাঁদমালা, ঠাকুরের গয়না বিক্রির চাহিদা নেই, হতাশ মালাকার’রা

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: করোনা সংক্রমণের কারণে এবছর দীর্ঘদিন প্রায় সমস্ত পুজো অনুষ্ঠানেই বন্ধ রয়েছে জাঁকজমক। তার উপর রয়েছে আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবও। আর এবছর এসবের প্রভাব পড়ছে বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসব দুর্গাপুজোতেও। বাজার খারাপ থাকায় এবছর ঠাকুরের গয়না, ঘটের ও হাতের চাঁদমালা তৈরিকারী মালাকারদের কার্যত কোনও বায়না নেই বললেই চলে। তাই খুব অভাব-অনটন এর মধ্য দিয়ে চলছে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন।

পটাশপুরের বাসিন্দা সহদেব মালাকার যেমন জানিয়েছেন, বিশ্বকর্মা পুজোতে আগে প্রচুর বিক্রি থাকলেও এবছর কোনও বিক্রিই হয়নি। বিক্রি বন্ধ খোলা বাজারেও, তাই অল্প কিছু চাঁদমালা ও গয়না তৈরি করছেন। যদি দুর্গাপুজাতে বিক্রি হয় সেই আশাতে। আরেক শিল্পী কল্পনা মালাকার জানিয়েছেন, ‘করোনা’র কারণে ব্যবসা ঠিকঠাক চলছে না। বাড়িতে অসুস্থ বাচ্চা রয়েছে, খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে।” একই মত মালাকার ব্যবসার সঙ্গে প্রায় ৫০ বছর যুক্ত লক্ষণ চন্দ্র মালাকারেরও। তাঁর কথায়, ‘গত বছর প্রচুর বায়না ছিল, এবছর তার দশ শতাংশও বায়না নেই। সরকার থেকে চাল পাচ্ছি আর দিনমজুরি করে  কোনও রকমে চলছে সংসার। দুই ছেলের নামে শিল্পী কার্ড থাকা সত্ত্বেও কোনো সরকারি সহযোগিতা পাওয়া যায়নি’।

Facebook Comments