বহু গ্রন্থের প্রণেতা ধর্মগুরু পীর বজলে রহমানের প্রয়াণ, শোকের ছায়া বীরভূম জেলা জুড়ে

বহু গ্রন্থের প্রণেতা ধর্মগুরু পীর বজলে রহমানের প্রয়াণ, শোকের ছায়া বীরভূম জেলা জুড়ে

মহঃ সফিউল আলম, বেঙ্গল রিপোর্ট, বীরভূম: বীরভূম জেলার পাঁরুই থানার বাতিকার অঞ্চলের অন্তর্গত খুষ্টিগিরীর দরগাহ শরীফের কর্ণধার তথা বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী হজরত সৈয়দ বজলে রহমান কেরমানী সাহেবের প্রয়াণে শোকের ছায়া সর্বত্র৷ রবিবার সন্ধ্যায় বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর৷ বার্ধক্য জনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি৷ পাশাপাশি আরও কিছু সমস্যা ছিল৷ সোমবার সকাল ৮ টায় হজরত কেরমানী সাহেবের দরগাহ চত্বরে জানাজার নামাজ হয়৷ তা পাঠ করান প্রয়াত বজলে সাহেবের জ্যেষ্ঠ পুত্র সৈয়দ হাফিজুর রহমান৷ বিশেষ প্রার্থনাও করা হয়৷

তাঁর মৃত্যুর খবরে জেলা, রাজ্য, ভিন রাজ্য, দেশ এমনকি ভিন দেশের বিশিষ্ট থেকে সাধারণ অসংখ্য মানুষ, ভক্ত, অনুরাগী দুঃখ প্রকাশ করেন৷ শোকবার্তাও দেন তাঁরা৷ পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনাও জানান তাঁরা৷ ভক্তদের অনেকে জানাজায় অংশ নেন৷ বজলে সাহেবের প্রয়াণে দরগাহ শরীফের মানচিত্রে তথা কেরমানী বংশের তালিকায় একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল বলে মনে করেন কেউ কেউ৷

তিনি অসংখ্য গ্রন্থের প্রণেতা৷ মাজার শরীফের ও সংলগ্ন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তাঁর অবদান প্রশংসার দাবি রাখে৷ তিনি ছিলেন মানব দরদী সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক৷ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত এই মানুষটি সকলকে খুব সহজে আপন করে নিতে পারতেন৷ ফলে তাঁর প্রয়াণে চোখে জল অনুরাগীদের৷ তিনি গদ্দীনসীন বড় হুজুর তথা পীর সাহেব নামেও সুপরিচিত ছিলেন৷ তিনি চলে গেলেও রেখে গেলেন অজস্র স্মৃতি ও সৃষ্টিকর্ম৷ যা আগামীতেও তাঁকে অমর করে রাখবে৷

Facebook Comments