জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত পূর্ব মেদিনীপুরে বীজধান বন্টনের দাবি প্রাক্তন জেলা সহকারী সভাধিপতির

জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত পূর্ব মেদিনীপুরে বীজধান বন্টনের দাবি প্রাক্তন জেলা সহকারী সভাধিপতির

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: সমুদ্র উপকূল ও রসুলপুর নদীর কূলবর্তী  কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের  আমতলিয়া, আঁউরাই বসন্তিয়া, দারিয়াপুর, ধোবাবেড়িয়া ও বামুনিয়া অঞ্চলের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে সামুদ্রিক  জলোচ্ছ্বাসের ফলে নোনাজল ঢুকে চাষযোগ্য জমি চাষের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।

একই সমস্যা পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি-১, কাঁথি-৩, খেজুরী-১, খেজুরী- ২ , ভগবানপুর-২, রামনগর ১ ও ২ ব্লক সহ অন্যান্য ব্লকেও। চাষের ক্ষেত্রেও একই রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে দেশপ্রাণ ব্লকের সরদা, চালতি, বসন্তিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে। অতিবৃষ্টির জমা জলে বিঘার পর বিঘা জমির  বীজতলা বিনষ্ট হয়েছে।

বিঞ্জাপন

‘যশ’ দুর্যোগ কবলিত কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লক পরিদর্শনের সময় রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নোনাজলের সমস্যা মোকাবিলার জন্য উন্নত প্রজাতির বীজ সরবরাহের আশ্বাস দেন। সেই মত জেলাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে উন্নত ধান বীজ রাজ্য কৃষি দপ্তর সরবরাহ করা হয়। চার পাঁচ দিন আগে জেলা পরিষদ থেকে ব্লক প্রতি প্রায় ১৫০০/১৬০০ বস্তা করে ধান বীজ সরবরাহ করা হয়। কিছু ব্লক চাষীদের ইতিমধ্যেই বীজ ধান বন্টন করে দিলেও বেশকিছু ব্লকে এখনও বীজ ধান বন্টন করা হয় নি। আশু বীজ ধান বিলি না হলে ক্ষতিগ্রস্থ চাষীদের নতুন করে বীজতলা তৈরী করা দুষ্কর হয়ে পড়বে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন জেলার প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।

জেলা কৃষি দপ্তরের উপ অধিকর্তা কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে মামুদ হোসেন অবিলম্বে বীজ ধান বন্টনের দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments