বাড়ানো হোক ইমাম ভাতা, মিটিয়ে দেওয়া হোক ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সমস্যার সমাধান: ভার্চুয়াল মিটিংটি ইমামদের

বাড়ানো হোক ইমাম ভাতা, মিটিয়ে দেওয়া হোক ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সমস্যার সমাধান: ভার্চুয়াল মিটিংটি ইমামদের

হাবিব আল আমান, বেঙ্গল রিপোর্ট: ইমাম সাহেবদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। এই মিটিংয়ে ইমাম সাহেব ও মোয়াজ্জেনদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন মিটিং এর আলোচনা সূচি ছিল- ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতার বৃদ্ধি, মসজিদ কমিটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইমাম সাহেব হেনস্থা করা ও আরও বিবিধ বিষয়। এদিন অনলাইন ভার্চুয়াল মিটিংটি পরিচালনা করেন হাফেজ রফিকুল ইসলাম সাহেব। এছাড়াও এদিন মিটিংয়ে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আবু আফজাল জিন্নাহ সাহেব, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ফুরফুরাবী, মির্জা আব্বাস সহ আরও অনেকে।

এদিন অনলাইন ভার্চুয়াল মিটিং এ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ইমাম সাহেব গণ উপস্থিত হোন এবং তারা তাদের নিজস্ব মতামত পোষণ করেন। আবু আফজাল জিন্না সাহেব বলেন, বর্তমান সরকার ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে ভাতা দিচ্ছেন ঠিকই কিন্তু এই টাকা দিয়ে একটা ইমাম সাহেব বা মোয়াজ্জেন কোনো মতেই সংসার চালাতে সক্ষম নন। তিনি আরও বলেন, মসজিদ কমিটি অনেক সময়ে ইমাম সাহেবদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছেলে খেলা করছে। সেটা যেন বন্ধ হয় তার জন্য আবেদন করেন। মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ইমাম ও মুয়াজ্জিন ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে যেন সঠিক মাহিনা পায়। এই বিষয়ের উপরে জোরালো আলোকপাত করেন। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, সব কিছুর মূল্য বাড়লে ইমামদের মাহিনা কেন বাড়ানো হবে না।

মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ফুরফুরাবী বলেন, ২০১১-য় ক্ষমতায় আসার পরই ইমাম-মোয়াজ্জেনদের ভাতা চালু করেছিলেন। ২০১২ সালের এপ্রিলে ইমামদের জন্য মাসিক আড়াই হাজার টাকা ও মোয়াজ্জেনদের জন্য এক হাজার টাকা ভাতা চালু হয়েছিল। ২০১৬-য় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘নিজ ভূমি নিজ গৃহ’‍ প্রকল্পে ইমাম ও মোয়াজ্জেনদের বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়াও ঐ স্বল্প পরিমাণ ভাতাতে খুশি নন ইমাম-মোয়াজ্জেনরা। অবশেষে দাবি জানিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে ইমামদের মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা ও মোয়াজ্জেনদের মাসিক ৫ হাজার টাকা দিতে হবে সরকারকে।

Facebook Comments