খাদ্য আন্দোলনের শহীদ দিবসে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ISF

খাদ্য আন্দোলনের শহীদদ দিবসে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ISF

নিজস্ব সংবাদদাতা, বেঙ্গল রিপোর্ট, কলকাতা: আজ ৩১শে আগষ্ট। ঐতিহাসিক শহীদ দিবস। ভারতের গণআন্দোলনের ইতিহাসে এক রক্তস্নাত দিন। ৬২ বছর আগে এই দিনে গ্রামবাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খাদ্যের দাবীতে আসা নিরন্ন মানুষের উপর কলকাতার ধর্মতলা এলাকায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পুলিশ। সম্পূর্ণ নিরস্ত্র, শান্তিপূর্ণ মিছিলে শুধু লাঠিপেটা আর কাঁদানে গ্যাসের শেল প্রয়োগ করে ৮০ জনকে হত্যা করে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। তারপর থেকে প্রতিবছরই এইদিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিধায়ক তথা আইএস এফের চেয়ারম্যান ন‌ওসাদ সিদ্দিকী এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অতিমারী ও লকডাউনের প্রেক্ষাপটে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ কাজ হারাচ্ছেন। আয় কমছে। অথচ, আকাশছোঁয়া জিনিসপত্রের দাম। সরকারী গুদামে চাল-গম যথেষ্ট পরিমাণে মজুত আছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই মুহূর্তে ৮৫৫ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি। তবুও অপুষ্টি মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে- এই মুহূর্তে ১৪ শতাংশ। গতবছর বিশ্ব ক্ষুধা সূচক অনুযায়ী ভারত ১০৭টি দেশের মধ্যে ছিল ৯৪তম স্থানে। বুঝতে অসুবিধা নেই যে গলদটা সরকারের নীতি নির্ধারনের মধ্যেই রয়েছে।

এদিকে, প্রতিবাদী মানুষের ওপর দমনপীড়ন নামিয়ে আনছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। সুতরাং, আজকের দিনের তাৎপর্য মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে ও কেন্দ্র ও রাজ্যের জনবিরোধী নীতিগুলির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। আইএসএফ খাদ্য আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।

এদিন ইণ্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের পক্ষ থেকে, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ মাইতি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন।

Facebook Comments