রথযাত্রার প্রাক্কালে ‘চলো গ্রামে যাই, শিশু পড়াই’ ১১০তম দিনের কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রীদের পাতে চিড়ের পোলাও

রথযাত্রার প্রাক্কালে ‘চলো গ্রামে যাই, শিশু পড়াই’ ১১০তম দিনের কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রীদের পাতে চিড়ের পোলাও

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: শিক্ষা শুধুমাত্র ক্লাসরুম- ব্ল্যাকবোর্ড- সিলেবাস বা পরীক্ষার মধ্যে আবদ্ধ নিষ্প্রাণ একটা ব্যাপার নয়, বরং জীবনযাপনের সঙ্গে আপদমস্তক সম্পৃক্ত একটা প্রক্রিয়া। যা শুধু মাত্র সাধারণ মানুষের নয়, পাশাপাশি শিক্ষক সমাজকেও বুঝে উঠতে হবে।

লকডাউন কালের ১৬ মাসে প্রতিটি পরিবারের জীবন-জীবিকায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, বদলে গেছে শিশুদের জীবন বোধও! করোনা কালে স্কুলের দরজা বন্ধ থাকায় দরিদ্র পরিবারের অনেক শিশু স্কুলছুট হওয়ার খবর সমাজের সামনে যখন অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে, তখনই নয়াপুট সুধীর কুমার হাইস্কুলের ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘চলো গ্রামে যাই, শিশু পড়াই’ স্কুলছুট ঠেকাতে অনেকখানি সমর্থ হয়েছে।
প্রায় দেড় বছর কাল জুড়ে শিশুদের বাড়ির উঠানে গিয়ে তাদের পাঠদানের পাশাপাশি মনের খোঁজ খবর নেওয়া, মনের সার্বিক বিকাশে খেলাধুলা, নাচ গান নাটক আবৃত্তি-র পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন, বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মদিন পালন করা হয়েছে কাঁথি-১ব্লকের শৌলা উপকূলের প্রকৃতির কোলেই।

রবিবার চলো গ্রামে যাই শিশু পড়াই কর্মসূচির ১১০ তম দিনে প্রাক- রথযাত্রা উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানের পর চিড়ার পোলাও খাওয়ানো হয়। শিক্ষক শিক্ষিকাদের পাশাপাশি শৌলা গ্রামবাসী লঙ্কেশ্বর মাঝি ও শুভানুধ্যায়ীগন খাদ্য বিতরণে সাহায্য করেন। রবিবার পাঠদান করেন কাঁথি চন্দ্রামনি ব্রাহ্ম বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্বপ্না রানী মন্ডল, মানিকপাড়া হাইস্কুলের শিক্ষক রাজারাম মাঝি, নয়াপুট হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও বর্তমানে খড়্গপুর আই আই টি র -পি.এইচ.ডি স্কলার পিন্টু মাইতি প্রমুখ। প্রধান শিক্ষক বসন্ত কুমার ঘোড়ই সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বিঞ্জাপন
Facebook Comments