যশে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মেরামতের ত্রাণ সামগ্রী অপ্রতুল, ক্ষুব্ধ বানভাসিরা

যশে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মেরামতের ত্রাণ সামগ্রী অপ্রতুল, ক্ষুব্ধ বানভাসিরা

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: যশ দুর্যোগের ফলে দেশপ্রাণ ব্লকের কূলবর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসে একাধিক গ্রামে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িঘরের প্রভূত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বাড়িঘর মেরামতের জন্য পর্য়াপ্ত সাহায্য মিলছে না গ্রামবাসীদের অভিযোগ।

দেশপ্রাণ ব্লকের বাসিন্দা ও প্রাক্তন সহকারী জেলা সভাধিপতি মামুদ হোসেন জানান, শুনিয়া গ্রামের ৩৫০ কাঁচা বাড়ী,বাহার ছনবেড়িয়া গ্রামে ৪০০ টি মাটির বাড়ী, কালুয়া মৌজার ২৫০ বাড়ী যশ দুর্যোগে ভেঙে পড়েছে। আমতলিয়া ও আঁউরাই অঞ্চলের দুই হাজার বাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অথচ গ্রামপঞ্চায়েতের মাধ্যমে শুনিয়াতে ৬৫ টি, বাহার ছনবেড়িয়া গ্রামে ৪০ টি ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য প্লাবিত গ্রামে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে যৎসামান্য ত্রিপল ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। শুনিয়া এমএসকে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয় শিবিরে প্রতি বেলায় ৩৫০ থেকে ৪০০ জনের রান্না হয়।অথচ ব্লক অফিস ও পঞ্চায়েতের সাহায্যের পরিমান হতাশাজনক। ছাত্রছাত্রীদের বইপত্র জলে বিনষ্ট। এক কাপড়েই বাড়ির মহিলাদের থাকতে হচ্ছে। গৃহস্থালি জিনিসপত্র বাড়ী থেকে বের করার সুযোগ অনেকের ঘটেনি। মাছের ভেড়ি জোয়ারের জলে ভেসে গিয়েছে। লবনাক্ত পানীয়জল পান করার অযোগ্য। পানীয়জলের সঙ্কট চরমে।

ব্লক প্রশাসনের উদাসীনতায় বানভাসি মানুষজনের ক্ষোভ চরমে। বানভাসি মানুষজনের দুরবস্থার বিশদ বিবরণ ইতিমধ্যেই জেলা শাসক,মহকুমা শাসক ও বিডিওকে প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন পাঠিয়েছেন বলে জানান। জেলার দুই মন্ত্রী ডঃ সৌমেন মহাপাত্র ও অখিল গিরি কে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনেরও আবেদন জানিয়েছেন এলাকার প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি মামুদ হোসেন।

Facebook Comments