নন্দীগ্রামে ভোরের আগেই পৌঁছে কথামত শহীদবেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শুভেন্দুর

নন্দীগ্রামে ভোরের আগেই পৌঁছে কথামত শহীদবেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শুভেন্দুর

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: ৭ জানুয়ারি সূর্য ওঠার আগেই যে তিনি নন্দীগ্রাম আসবেন, সেই মতো রাত বারোটা বাজার আগেই নন্দীগ্রামের ভাঙাবেড়ায় পৌঁছে যান শুভেন্দু অধিকারী। ভরত মণ্ডল, শেখ সেলিম, বিশ্বজিৎ এই তিন শহিদকে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রতিবছরই এই দিনে শুভেন্দু অধিকারী ভোরেই যান নন্দীগ্রামে। এবার তার ব্যতিক্রম হয়নি। সেখানেই তিনি ২০০৭ সালের ৮ জানুয়ারির কথা তুলে আনেন। শুভেন্দু অধিকারী জানান, ওই দিন আমি নিজের হাতে শেখ সেলিমের দেহ তুলেছিলাম। নন্দীগ্রামে এই কর্মসূচিতে আমি প্রতিবছরই আসি আর এই কর্মসূচিকে আমি সব কিছুর ঊর্ধ্বে বলেই মনে করি।”

শুভেন্দু অধিকারী জানান, যতদিন তিনি বাঁচবেন, ততদিন নন্দীগ্রামের বিশেষ দিনে হাজির থাকবেন। গভীর রাতে নন্দীগ্রামে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই বলেছিলেন, শহিদ বেদির প্রাঙ্গণে শুভেন্দু অধিকারীকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রচার করা হয়েছিল, শহিদ বেদিতে মালা দিতে আসতে পারবেন না শুভেন্দু অধিকারী। যা কখনই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রক্তচক্ষু দেখিয়ে তাদের আটকানো যাবে না। নন্দীগ্রামের কর্মসূচি থেকেই শুভেন্দু অধিকারী জানান,” ৭ জানুয়ারি নেতাই গণহত্যার ১০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। সেই অনুষ্ঠানেও আমি যোগ দিতে যাবো।”

Facebook Comments