ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত শৌলায় ত্রাণ শিবিরের পাশাপাশি শুরু পাঠদান “চলো গ্রামে যাই শিশু পড়াই” কর্মসূচি

ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত শৌলায় ত্রাণ শিবিরের পাশাপাশি শুরু পাঠদান “চলো গ্রামে যাই শিশু পড়াই” কর্মসূচি

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: ঘূর্ণিঝড় আর সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত কাঁথি- ১ব্লকের শৌলা উপকূলের শৌলা, রঘুসর্দারবাড় জলপাই গ্রাম সহ একাধিক গ্রাম। নয়াপুট সুধীর কুমার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বসন্তকুমার ঘোড়াইয়ের নেতৃত্বে দুর্যোগের প্রথম দিন থেকেই চলছ বিধ্বস্ত গ্রামে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের যাবতীয় কাজ।

প্রধান শিক্ষক বসন্তকুমার ঘোড়ইয়ের গ্রামবাসীদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন ব্যক্তি ও রামকৃষ্ণ মিশন সহ একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। খোলা হয়েছে নিরন্ন অভুক্ত মানুষদের জন্য কমিউনিটি কিচেন। প্রতিদিন সেখানে পাঁচ শো র বেশি মানুষ দুবেলা খাবার পাচ্ছেন। এরই মাঝে করোনা আবহে একবছরে বেশি সময় ধরে বন্ধ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে একবছর ধরে স্কুল বন্ধ থাকার ফলে স্কুলের ছাত্র ছাত্রছাত্রীরা যাতে পঠনপাঠনে বিমুখ না হয়ে পড়ে তার জন্য লকডাউন পিরিয়ড শুরু থেকেই বসন্তকুমার ঘোড়ইয়ের নেতৃত্বে সুধীর কুমার হাইস্কুলের শুরু হয় ‘চলো গ্রামে যাই শিশু পড়াই “কর্মসূচি।

যশ ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে সেই প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। বুধবার বিকেলে ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত শৌলায় খোলা আকাশের নিচে বসন্তকুমার ঘোড়ইয়ের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে এলাকার স্কুলের ছছাত্রছাত্রীদের পাঠদান কর্মসূচি। নয়াপুট সুধীর কুমার হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্র প্রধান শিক্ষক বসন্তকুমার ঘোড়াই জানান, প্রতিদিন দুপুরে কমিউনিটি কিচেন চালু থাকার পর বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত এই পাঠদান কর্মসূচি চালানো হবে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা বিমুখতা কাটিয়ে তোলার জন্য। শিক্ষিকা স্বপ্না রানী ঘোড়াই, শিক্ষক রাজারাম মাঝি সহ আরো অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকা।

Facebook Comments