ভারত ও বাংলাদেশের ট্রানজিট পণ্যের প্রথম চালান পৌঁছালো বাংলাদেশে

ভারত ও বাংলাদেশের ট্রানজিট পণ্যের প্রথম চালান পৌঁছালো বাংলাদেশে

এম. ইউছুফ, বেঙ্গল রিপোর্ট, ঢাকা : বাংলাদেশ ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে চার কনটেইনার ট্রানজিট পণ্য নিয়ে ‘এমভি সেঁজুতি’ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার ভোররাতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে বলে চট্টগ্রাম বন্দর সুত্রে জানা যায়।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সড়কপথে কনটেইনারে পণ্য পরিবহনের প্রথম ‘ট্রায়াল রান’ এটি। ৪ কনটেইনার ট্রানজিট পণ্যের বাইরে বিভিন্ন আমদানিকারকের পণ্যভর্তি কনটেইনারও রয়েছে জাহাজটিতে।

স্থানীয় এজেন্ট ম্যাংগো শিপিং লাইনের ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান জানান, এমভি সেঁজুতি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি জেটিতে বার্থিং দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি কনটেইনার খালাসের লক্ষ্যে কাস্টমসসহ বিভিন্ন মাশুল পরিশোধের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। খালাসের পর চারটি ট্রেইলরে (লরি) সড়কপথে কনটেইনারগুলো আখাউড়া হয়ে ত্রিপুরা ও আসাম পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফরম ইন্ডিয়া’ চুক্তি এবং উক্ত চুক্তির আওতায় প্রণীত এসওপি অনুযায়ী ট্রানজিট পণ্যবাহী চারটি কনটেইনারের প্রথম ট্রায়াল রান।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বিভিন্ন খাতে মাশুল আদায়, হ্যান্ডলিং, এস্কর্ট, জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ম্যাঙ্গো শিপিং লাইন সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে আখাউড়া, ত্রিপুরা কনটেইনার নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব জানান, প্রতিটি কনটেইনারের বিপরীতে কাস্টমস কর্তৃক সরকারি মাশুল আদায় করা হবে। বাংলাদেশের সড়কপথ ব্যবহারের জন্যও সড়ক ও জনপথ বিভাগ নির্ধারিত মাশুল আদায় করবে। দেশের জনগণের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, যা দেশের অর্থনীতিকেই চাঙা করবে।

Facebook Comments