রাজ্যে একদিনে সুস্থতার হার বাড়ার সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে, একনজরে সারারাজ্যের করোনা আপডেট দেখে নিন

রাজ্যে একদিনে সুস্থতার হার বাড়ার সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে, একনজরে সারারাজ্যের করোনা আপডেট দেখে নিন

বিশেষ প্রতিবেদন, বেঙ্গল রিপোর্ট: রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠার হার বাড়ল। কমেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।

অন্যদিকে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ হাজারের বেশি টেস্ট হয়েছে৷ সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১১২ জন৷ গতকাল ছিল ২ হাজার ৩৪১ জন৷ ফলে একদিনে কিছুটা কমল আক্রান্তের সংখ্যা৷ মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে হল ৬০ হাজার ৮৩০ জন৷ একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ১৬৬ জন৷ এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৯ হাজার ৯১৭ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হয়েছে ৬৫.৬২ শতাংশ৷ গতকাল ছিল ৬৪.২৯ শতাংশ৷ এক সময় এই হার ৬০ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল৷

অন্যদিকে একদিনের হিসেবে কমেছে মৃতের সংখ্যাও৷ সোমবারের তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের৷ গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৪০ জন৷ কিন্তু বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৪১১ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৫০২ জন৷ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার পাশাপাশি কমেছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাও৷ একদিনে কমেছে ৯৩ জন৷ রবিবার থেকে সোমবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত অর্থাৎ একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের৷ গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৪০ জনে৷

একনজরে রাজ্যে যে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে কলকাতারই ১০ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৪ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ২ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ বীরভূম ২ জন৷ মালদা ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷

গতকাল যে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে,তাদের মধ্যে কলকাতার ছিল ১৭ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷ হাওড়া ৯ জন৷ হুগলি ২ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷

বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে টেস্ট হয়েছে ১৭ হাজার ৫ টি৷ এটাই একদিনে বাংলায় সর্বোচ্চ টেস্ট৷ গতকাল ছিল ১৬ হাজার ৪৫টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ৮ লক্ষ ২২ হাজার ১৯০টি৷ গতকাল ছিল ৮ লক্ষ ৫ হাজার ১৮৫টি৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫৭টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৩ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বাংলায় ৮৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৩৯৫টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

এই পর্যন্ত শহরে মৃত্যু ৬৯৬ জনের৷ গত ২৪ ঘন্টায় শহরে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের৷ গতকাল ছিল ১৭ জন৷ সেদিক থেকে একদিনে কলকাতায় কমল মৃতের সংখ্যা৷ তবে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমেছে৷ ২৪ ঘন্টায় শহরে আক্রান্ত ৫৫২ জন৷ গতকাল ছিল ৬৪৮ জন৷ এই পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ১৮ হাজার ৭৫৩ জন৷ নতুন করে ছাড়া পেয়েছেন ৫৪২ জন৷ ফলে কলকাতায় মোট ছাড়া পেলেন ১১ হাজার ৮৯১ জন৷ শহরে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ৬,১৬৬ জন।

Facebook Comments