বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কাজলা জনকল্যান সমিতির পরিবেশের একাল সেকাল আলোচনাচক্র

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কাজলা জনকল্যান সমিতির পরিবেশের একাল সেকাল আলোচনাচক্র

সুব্রত গুহ, বেঙ্গল রিপোর্ট, পূর্ব মেদিনীপুর: বিবর্তনের ইতিহাসে মানুষ হল শ্রেষ্ঠ জীব, তাই মানুষ আজ ভুলতে বসেছে যে এই পৃথিবীতে নামানুষরা বিদ্যমান, তাই ক্রমাগত মানুষের চিন্তা ভাবনায় পরিবেশ বান্ধব অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে, আর পেক্ষােপটে পরিবেশ আজ রুগ্ন ও ক্ষত বিক্ষত। তাই কাজলা জনকল্যাণ সমিতি পতিবছরের ন্যয় এবছর ও কাজলা জনকল্যাণ সমিতি তার মুল অফিসে পরিবেশের একাল ও সেকাল বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করে ও জীববৈচিত্র্যের উপাদান ব্যবহার সংক্রান্ত প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

আলোচনার উপস্থিত ছিলেন আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে কাঁথির মহকুমা শাসক আদিত্য মোহন হিরানী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম দাস, মিশন নির্মল বাংলা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সংযোজক বোধিসত্ব রাউত, বসন্ত ঘোড়াই, প্রধান শিক্ষক, নয়াপুট সুধীর কুমার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বসন্তকুমার ঘোড়ই, অনুত্তম পড়িয়ালি, প্রধান শিক্ষক, পারুলিয়া মর্ডান স্কুল, অরিন্দম দত্ত, ছাত্র, প্রভাত কুমার কলেজ, সুভাষ ঘোড়ই, কিষান স্বরাজ সমিতি, পূর্ব মেদিনীপুর প্রমুখ। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন কাঁথির মহকুমা শাসক।

কাজলা জনকল্যান সমিতির সম্পাদক স্বপন পন্ডা তার স্বাগত ভাষনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করেন। তিনি বলেন আমরা যদি আমাদের জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার না কমাতে পারি তাহলে সমুহ বিপদ আমরা আাটকে পরবো না, আর এই পৃথিবী কে সুস্থ রাখতে প্রচুর দেশিয় গাছ লাগাতে হবে ও তাকে রক্ষা করতে হবে। মহকুমা শাসক তার বক্তব্যে কবিগুরু রবিঠাকুরের একলা চলরে কথাটি মাথায় রেখে, যদি পরিবেশ কে রক্ষা করতে হয়, তাহলে আগে আমাদের নিজেদের পদক্ষেপ আগে নিতে হবে। যেমন ইলেকট্রিক অপচয় না করা, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো ইত্যাদি অনুষ্ঠানে অনান্য অতিথি রা ফেলে দেওয়া জিনিস এর পুনঃ ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়।

সবশেষে গাছ লাগানোর মাধ্যমে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন কাঁথির মহকুমা শাসক।এরপর প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন মহকুমা শাসক ও অনান্য অতিথিরা। এই ধরনের কাজ যাতে সারাবছর হয় তার জন্য সবরকমের সাহায্যের আশ্বাস দেন শ্রী হিরানি। অনুষ্ঠানে প্রায় ২ শতাধিক শিশু ও অভিবাবক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন দিপালি নন্দি ও জয়ন্ত পন্ডা।

Facebook Comments